বাংলাদেশে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রতি আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। সরকার নতুন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ও ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টার স্থাপন করছে। কারিগরি শিক্ষায় ভর্তির সংখ্যা গত পাঁচ বছরে দ্বিগুণ হয়েছে।
শিল্প মালিকরাও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে সহযোগিতা করছেন। ইন্টার্নশিপ ও অন-দ্য-জব ট্রেনিং কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বাস্তব অভিজ্ঞতা পাচ্ছেন।
তৈরি পোশাক, নির্মাণ, তথ্যপ্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা ও পর্যটন খাতে দক্ষ কর্মীর চাহিদা প্রচুর। কারিগরি শিক্ষায় ডিগ্রি নেওয়া শিক্ষার্থীরা দ্রুত কাজ পাচ্ছেন এবং ভালো বেতন পাচ্ছেন।
নারীদের কারিগরি শিক্ষায় অংশগ্রহণ বাড়াতে বিশেষ বৃত্তি ও হোস্টেল সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। ব্যবহারিক দক্ষতা থাকলে নারীরাও প্রযুক্তি ও শিল্প খাতে নেতৃত্ব দিতে পারবেন।
বিদেশে দক্ষ শ্রমিক পাঠাতে কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব অনেক বেশি। সঠিক দক্ষতাসম্পন্ন কর্মী পাঠালে তারা বেশি বেতন পাবেন এবং দেশে বেশি রেমিট্যান্স পাঠাতে পারবেন।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার বিস্তার বাংলাদেশের বেকারত্ব সমস্যার সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এটি দেশকে দক্ষ জনশক্তির দেশ হিসেবে পরিচিত করবে।