বাংলাদেশ সরকার ২০২৩ সাল থেকে প্রাথমিক শিক্ষায় নতুন পাঠ্যক্রম চালু করেছে। এই পাঠ্যক্রমে মুখস্থনির্ভর শিক্ষার পরিবর্তে অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিক্ষা পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা এখন গবেষণা, দলগত কাজ ও সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে শিখছে।
নতুন পাঠ্যক্রমে সৃজনশীলতা, সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা ও ডিজিটাল সাক্ষরতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীরা কম্পিউটার ব্যবহার, ইন্টারনেট পরিচালনা ও ডিজিটাল নিরাপত্তা সম্পর্কে শিখছে।
শিক্ষকদের প্রশিক্ষণেও বিশেষ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। নতুন পাঠ্যক্রম কার্যকরভাবে পড়ানোর জন্য শিক্ষকদের আধুনিক শিক্ষণ পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
অভিভাবকরা প্রথমে নতুন পদ্ধতি নিয়ে কিছুটা সংশয়ে ছিলেন। কিন্তু শিক্ষার্থীদের শেখার উৎসাহ ও সৃজনশীলতা বাড়তে দেখে তারা ইতিবাচক মনোভাব দেখাচ্ছেন।
শিক্ষাবিদরা বলছেন, এই পাঠ্যক্রম শিক্ষার্থীদের ২১শতকের চাহিদার জন্য প্রস্তুত করবে। তারা যেকোনো পরিস্থিতিতে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা অর্জন করবে।
তবে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। সকল স্কুলে প্রয়োজনীয় সম্পদ ও প্রশিক্ষিত শিক্ষক নিশ্চিত করা কঠিন। বিশেষত গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত এলাকায় বাস্তবায়ন একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।